রানীশংকৈলে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা চলছে রং তুলির আঁচড়

রফিকুল ইসলাম সুজন, ঠাকুরগাঁও.

কয়েক দিন পর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা। মহাষষ্ঠীতে দেবী বোধনের মধ্য দিয়ে আগামী ৫ অক্টোবর শুরু হবে পূজার আনুষ্ঠানিকতা।
এ বছর মা দুর্গা ঘোড়ায় চড়ে পৃথিবীতে আসবেন। আবার কৈলাশে ফিরে যাবেন ঘোটকে (ঘোড়া) চড়ে। দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে রানীশংকৈল উপজেলার প্রতিমা তৈরির কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ প্রতিমার শরীরে মাটির আঁচড় দিতে ব্যস্ত। কেউ রং-তুলির আঁচড়ে প্রতিমাকে মনের মতো করে ফুটিয়ে তুলছেন।
কারিগরদের তুলির ছোঁয়ায় পূর্ণাঙ্গ রূপ পাচ্ছে প্রতিমা। রং-তুলির আঁচড়ে মা দুর্গাকে সাজাচ্ছেন শিল্পীরা। পুরোদমে চলছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি। করোনা কালে এমন পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ দূর্গা পূজার আনন্দ কতটুকু উপভোগ করবে এ নিয়েও রয়েছে অনেক শঙ্কা । তবে প্রতিমা তৈরিতে রয়েছে শিল্পীদের মধ্যে নানারকম গল্প আর অভিযোগ । সুভাষ চন্দ্র নামের এক শিল্পী বলেন এবারে আমাদের প্রতিমা নির্মাণের খরচ বেশি , আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কাজ ঠিকমত করা যাচ্ছে না তবুও আমরা কাজ করছি । এদিকে বাঁশ, কাঠ, খড়, লোহা, রশি, মাটি, রংসহ প্রতিমা তৈরির উপকরণের মূল্য বৃদ্ধির ফলে আগের মতো লাভ হয় না। তবুও বাপ-দাদার পেশা হিসেবে এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছি।
তবে গতবারের মত ধুমধাম করে পূজা উদযাপন না হলেও আয়োজনের কোন কমতি থাকবেনা বলে জানান পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা । জানা যায় এবার ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১৮৩টি, পীরগঞ্জে ১১২টি, রানীশংকৈলে ৫২টি, হরিপুরে ২০টি ও বালিয়াডাঙ্গীতে ৬২টি মণ্ডপে পূজার প্রস্তুতি চলছে।

প্রশাসনের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে পূজা উদযাপন করবেন বলে জানিয়েছেন পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি ছবি কান্ত ও সাধারণ সম্পাদক সাধন বসাক ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *