দৈনিক আলোর কন্ঠ

ঠাকুরগাঁওয়ে নকল সরবরাহে ৪ কক্ষ পরিদর্শককে কারাদন্ড

ঠাকুরগাঁওয়ে নকল সরবরাহে ৪ কক্ষ পরিদর্শককে কারাদন্ড

আলোর কন্ঠ ডেক্সঃ ঠাকুরগাঁও জেলার সালন্দর কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে জেডিসি পরীক্ষা চলাকালীন সময় নিজেদের কাছে নকল রাখার দায়ে দুই কেন্দ্র পরিদর্শককে আটক করা হয়েছে।  ১৬ নভেম্বর শনিবার দুপুরে ইংরেজি পরীক্ষা চলাকালীন সময় মনসুর আলীর পাঞ্জাবীর পকেটে ও আয়েশা সিদ্দিকার ভ্যানিটি ব্যাগে নকল রাখার দায়ে তাদের আটক করা হয়। 

পরে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন তাদের ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেন। 

এ সময় নির্বাহী ম্যাজিস্টেট আব্দুল কাইয়ুম খান, আরও অন্য ২ জন পরীক্ষা পরিদর্শককে নিয়ম বর্হিভূতভাবে মোবাইল ফোন রাখার দায়ে আর্থিক জরিমানা করেন। কারাদণ্ড প্রাপ্ত উত্তর হরিহরপুর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মনসুর আলী বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর আগে এক পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে নকল নিয়ে ভুলবশত পকেটে রেখেছিলাম। ক্ষমা চাওয়ার পরেও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন ক্ষমা করেননি। চাকুরির শেষ বয়সে পরীক্ষার দায়িত্ব পালনকালে বদনাম নিয়ে জেলে গেলাম।’

কারাদণ্ড প্রাপ্ত ভেলাজান আনছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, ‘ভ্যানিটি ব্যাগ সামনে রেখে পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করছিলাম। মনে হয় ভয়ে কেউ আমার ব্যাগে ছোট একটি কাগজ রেখেছিল।’উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘মনসুর আলীর পাঞ্জাবীর পকেটে ও আয়েশা সিদ্দিকার ভ্যানিটি ব্যাগে নকল থাকায়  তাদের আটক করা হয়। তারা ভুল স্বীকার করেছেন। তাদের ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’

সালন্দর কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রের সচিব আবুল হোসেন বলেন, ‘পরিদর্শকেরা পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে নকল নিয়ে ভুলবশত নিজের কাছে রেখেছিলেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়কে অনেকবার বলার পড়েও ক্ষমা করেননি।’

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।