মে ১৪, ২০২১
দৈনিক আলোর কন্ঠ » ব্লগ » ভালুকার মেদুয়ারীতে ক্লিন ইমেজের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান প্রার্থী রুবেল

ভালুকার মেদুয়ারীতে ক্লিন ইমেজের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান প্রার্থী রুবেল

ভালুকার মেদুয়ারীতে ক্লিন ইমেজের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান প্রার্থী রুবেলজামাল মন্ডল,ভালুকা প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার শিল্প নগরী, কৃষি ও সবজি সমৃদ্ধ বাণিজ্য এলাকা হিসেবে পরিচিত মেদুয়ারী ইউনিয়ন । এই ইউনিয়নে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ,মেদুয়ারী ইউনিয়নটি আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে বেশ পরিচিত।

এবারের আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক রাইসুল ইসলাম রুবেল ইতিমধ্যেই এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন।
রুবেল ভালুকা উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের পানিভান্ডা গ্রামের আব্দুল মান্নান সাহেবের সু-যোগ্য সন্তান।

এই তরুন সমাজসেবক ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজ থেকে (অনার্স)এম.এস.এস (অর্থনীতি)করেন। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রানিত হয়ে মুজিব আদর্শ বুকে ধারন ও লালন করে ছাত্র রাজনীতি প্রবেশ করেন ২০১০ সালে ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির দায়িত্ব নিয়ে। দলের সু-সময়ে দূঃসময়ে যে কোন লড়াই সংগ্রামে তার অংশগ্রহণ ছিল প্রশংসনীয়, তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সাল থেকে ভালুকা উপজেলা ছাত্রলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও তার অংশগ্রহণ এবং ভুমিকাও রয়েছে আলোচিত। সব মিলিয়ে রাইসুল ইসলাম রুবেল নিজ এলাকায় একজন ক্লিন ইমেজের সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে গ্রহণ যোগ্যতা অর্জন করতে সঙ্গম হয়েছেন।

জাতীয় এবং স্থানীয় যে কোন নির্বাচনে রুবেল দলের একজন নিবেদিত বলিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দলের মনোনিত প্রার্থীকে বিজয়ী করতে নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। ব্যাক্তি স্বার্থের থেকে দলের স্বার্থকেই তিনি বড় করে দেখেন। এ ছাড়াও বর্তমানে তিনি গাজীপুরের বোর্ড বাজার গার্মেস্টস মেশিন ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ এর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

ভালুকার মেদুয়ারী ইউনিয়নের একজন ভাল মানুষ হিসেবে ব্যাপক সুনামও রয়েছে। পাশাপাশি একজন সামাজিক সাদা মনের মানুষ সর্বশ্রেণীর লোকের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। রাইসুল ইসলাম রুবেল বলেন ,দল যদি আমাকে মনোয়নয়ন দেন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়ে পর মেদুয়ারী ইউনিয়ন কে আধুনিক ও ডিজিটাল হিসেবে রূপান্তরিত করা হবে। ইউনিয়নকে মাদক, সন্ত্রাস চাঁদাবাজ মুক্ত করা হবে ইনশাআল্লাহ্।

কারো কারো সাথে কথা বলে জানাযায় এলাকায় ন্যায় বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত করার স্বার্থে এমন একজন তরুন জনপ্রতিনিধি এলাকায় খুব প্রয়োজন। মেদুয়ারী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ আসন্ন নির্বাচনে এই জনপ্রিয় ব্যাক্তিকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায়। ইউনিয়নবাসী আশা করেন সবদিক বিবেচনা করে রুবেলকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী হিসেবে চুড়ান্ত করবেন।

প্রতিনিধিকে রাইসুল ইসলাম রুবেল আরো বলেন, ‘দেশের মানুষ উন্নয়ন ও স্থিতিশীল পরিবেশ চায় আওয়ামীলীগ, যা বজায় রাখতে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সক্ষম হয়েছেন। সে কারণেই আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ সমর্থন নিয়ে আমি নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। আশা করি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনেও সে ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সব দিক বিবেচনা করে দল আমাকেই প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করবেন। তিনি বলেন, ‘বিদ্রোহীদের ব্যাপারে আমাদের সরকার কঠোর অবস্থান রয়েছে। যারা বিগত সময়ে বিদ্রোহী হয়েছিলেনে এবং নৌকার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে কাজ করেছেন তারা কখনো দলীয় মনোনয়ন কিংবা পদ-পদবিও পাবেন না। গত কিছুদিন আগে অনেকে নানা দল থেকে যোগদান করে আওয়ামী লীগার হয়ে গেছেন। মনোনয়নের ব্যাপারে দল সতর্ক রয়েছে। কোনো স্বাধীনতা বিরোধী, কিংবা অন্য দল থেকে আসা কাউকে মনোনয়ন দেবে না। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য, ত্যাগী ও পরীক্ষিত ব্যক্তির হাতেই নৌকা তুলে দেওয়া হবে বলে আমি আশা করি।

আওয়ামী লীগ ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য এরই মধ্যে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের নির্দেশনা দিয়েছে। এ জন্য দলীয় সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো যারা দীর্ঘদিন দল করছেন কিন্তু কোনো মূল্যায়িত হননি তাদের খুঁজে বের করে নৌকা দিয়ে মূল্যায়ন করা হবে। ‘দুর্নীতিবাজ’ বা ‘ইমেজ সংকট’ রয়েছে এমন ব্যক্তিদের মনোনয়ন না দিয়ে ক্লিন ইমেজের প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

গণমানুষের কাছে যে ব্যক্তির গ্রহণযোগ্যতা সবচেয়ে বেশি তাকেই ইউনিয়ন পরিষদে প্রার্থী করা হবে। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগ যথেষ্ট খোঁজখবর নিচ্ছে। যার বিরুদ্ধে গণমানুষের কিংবা রাষ্ট্রের অভিযোগ রয়েছে তাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না।

এবারের ইউপি নির্বাচনে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন দলীয় প্রধান। ইউপি নির্বাচনে ‘বিদ্রোহী প্রার্থী’ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গত নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছেন এমন কাউকে এবারের ইউপি নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলে আমি মনে করি। স্থানীয় আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাদের ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী করার ক্ষেত্রে এবার গুরুত্ব দেওয়া হবে। আগে দেখা গেছে, সংসদ সদস্য কিংবা উপজেলা চেয়ারম্যানদের আত্মীয়স্বজনকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হতো। এবার সে ধারা আর দেখতে চান না দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হওয়ায় গ্রামগঞ্জে সম্ভাব্য প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে ইতোমধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা শুরু হয়েছে। আওয়ামী লীগে দলীয় প্রতীক পেতে তৃণমূলের অন্যান্ন সম্ভব্য প্রার্থীদের পাশাপাশি রাইসুল ইসলাম রুবেল ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং পাড়া মহল্লায় উঠান-বৈঠক সহ নির্বাচনের ব্যাপারে এলাকাবাসীর মতামত জানতে একাধিক বৈঠক করে যাচ্ছেন।

তিনি আরো বলেন নির্বাচনের দিনকাল ঠিক না হলেও দলীয় নেতাদের নিয়ে ভোটারদের সাথে নিয়ে। এ দলীয় প্রতীক পেতে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করবো মনোনয়ন ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।

এক প্রশ্নের জবাবে রুবেল বলেন, যদি দল আমাকে মনোনয়ন নাও দেয়, দলীয় প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমার ইউনিয়নে যার হাতে নৌকা তোলে দিবেন দলের স্বার্থে আমি আমার পক্ষ থেকে নৌকাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে প্রতিবারের ন্যায় সর্বোচ্চ সহযোগীতা করবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!
%d bloggers like this: